বৃহস্পতিবার, ২৫শে এপ্রিল, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ

শিরোনাম

খতনার করার সময় শিশুর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ, মেডিকেলের দুই কর্মকর্তা পলাতক

মোঃজাহিদুল ইসলাম
নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি

সুন্নতে খতনা করতে গিয়ে রাজধানী ঢাকায় দুই শিশুমৃত্যুর ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই নোয়াখালীতে এক শিশুর খতনা করতে গিয়ে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় অভিযুক্ত নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেলের দুই কর্মকর্তা পলাতক রয়েছেন।

তবে শিশুটি শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার।

ভুক্তভোগী শিশুর নাম আল নাহিয়ান তাজবীব (৭)। সে উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ক্যাপ্টেন আব্দুর রহমান বাড়ির আলমগীর হোসেন বাদলের ছেলে এবং বসুরহাট পৌরসভা এলাকার চাইল্ড কেয়ার স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

ভুক্তভোগী শিশুর বড় চাচা শেখ ফরিদ জানান, বুধবার দুপুরে শিশুটির বাবা তাঁকে সুন্নতে খতনা করাতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেন। এ সময় উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বিজয় কুমার দে ও মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট (শিক্ষানবিশ) সৌরভ ভৌমিক শিশুটির খতনা করানোর সময় তার গোপনাঙ্গের মাথার চামড়া বেশি কেটে ফেলে। এতে অতিরিক্ত রক্তপাত হয় শিশুটির। পরে শিশুর চিৎকার শুনে তার বাবা দেখেন রক্তপাতে কেবিনের বিছানা ভিজে গেছে। এক পর্যায়ে কৌশলে দুই উপ-সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার পালিয়ে যান।

জেলা সিভিল সার্জন ডা. মাসুম ইফতেখার বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ সেলিম শিশুটিকে দেখতে যান। খতনার সময় গোপনাঙ্গের চামড়া একটু বেশি কেটে যাওয়ার কারণে অতিরিক্ত রক্তপাত হয়েছে। বর্তমানে শিশুটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।

শিশুটি শঙ্কামুক্ত জানিয়ে সিভিল সার্জন বলেন, যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে তাঁদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশ জার্নাল / সো আ

দেশ জার্নাল বাংলাদেশ সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো মন্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো।

----- সংশ্লিষ্ট সংবাদ -----